বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে নিউ জার্সিতে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে পরাজিত এই দুই দলই টুর্নামেন্টে নিজেদের শেষ জয়টি তুলে নিতে চাইবে। এর মধ্যে দিয়ে তারা ফাইনালিস্ট স্পেন ও আর্জেন্টিনার পাশাপাশি সেরা তিনে(পোডিয়ামে) থেকে আসর শেষ করবে।
যদিও মূল শিরোপা লড়াইয়ের তুলনায় এই ম্যাচটির গুরুত্ব কিছুটা কম, তবে সেমিফাইনালে হতাশাজনক পরাজয়ের পর টুর্নামেন্টটি ভালোভাবে শেষ করার সুযোগ করে দেবে এই ম্যাচটি। ১৯৩৪ সালে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসরে প্রথমবারের মতো এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে জার্মানি ৩-২ ব্যবধানে অস্ট্রিয়াকে পরাজিত করেছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং ১৯৫০ সালের আসর চলাকালীন বিরতির পর ১৯৫৪ সালে এই ম্যাচটি পুনরায় চালু করা হয়।
তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলকে কোনো আনুষ্ঠানিক ট্রফি দেওয়া না হলেও, বিজয়ী দলটি পুরস্কার হিসেবে অতিরিক্ত ২০ লাখ (২ মিলিয়ন) ডলার অর্থ লাভ করবে। একই সঙ্গে এই ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট করার সুযোগ পেলে গোল্ডেন বুট দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন ফরাসি সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপে।
ফ্রান্স এর আগে ইতিহাসে দুবার ১৯৫৮ ও ১৯৮৬ সালে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল। এ ম্যাচে জয় করলে এমবাপ্পেরা তৃতীয়বারের মতো তৃতীয় স্থান নির্ধারণী হওয়ার রেকর্ডে নাম লেখাবে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড মাত্র একবারই সেরা তিনে জায়গা করে নিয়েছিল, আর তা ছিল ১৯৬৬ সালে তাদের শিরোপা জয়ের আসরে।
