বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছেন, আমরা গত মাসে যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে চায়না গেলাম তখন আমাদের যে ডেভেলপার কোম্পানি আছে সেটির চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন।
কথায় কথায় একটা প্রশ্ন এসেছিল যে, এ জোনটা চালু করতে আসলে কত দিন সময় লাগবে? উনারা প্রথমে বলেছিলেন তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের চ্যালেঞ্জ করেছিলেন, ১৮ মাসের মধ্যে উনি প্রথম ফ্যাক্টরি এখানে দেখতে চান। তারপর উনাদের চেয়ারম্যান প্রমিজ করেছেন, প্রথম ১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানা উৎপাদনে আমরা দেখতে পাব।
সোমবার (২৭ জুলাই) আনোয়ারায় সিইআইজেডের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বক্তব্য দেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, সিইআইজেডের চেয়ারম্যান ওয়াং বেনচিয়ান, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, আবু সুফিয়ান, সরওয়ার জামাল নিজাম, হুমাম কাদের চৌধুরী, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, চট্টগ্রাম কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এসএম সাইফুল আলম, এমএম. ইস্পাহানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মির্জা সালমান ইস্পাহানি প্রমুখ।
চট্টগ্রামের সব সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রামবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে আশিক চৌধুরী বলেন, আমাদের চীনা বিনিয়োগকারীরা অতিথি। উনারা বাংলাদেশে এসেছেন একটি আশা করে, বাংলাদেশে উনারা বিনিয়োগ করবেন। বিনিয়োগ করে উনারা অবশ্যই নিজেদের প্রফিটটা নিয়ে যাবেন এবং নিজেদের প্রসপারিটি চিন্তা করবেন। একই সাথে আমাদের দেশে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। আমার অনুরোধ আপনাদের কাছে যতটা সম্ভব তাদের যতটা সম্ভব সহযোগিতা করবেন। যাতে খুব দ্রুত এ জোনটা দাঁড়িয়ে যায়। এ জোনটা দাঁড়িয়ে গেলে এ এলাকার চেহারা চেঞ্জ হয়ে যেতে একদম সময় লাগবে না। আপনারা সবাই সাহায্য করবেন। আমরা সরকার থেকে যতটুকু সম্ভব যেভাবে সম্ভব উনাদের সহযোগিতা করব। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে, যত দ্রুত সম্ভব এ জোনটা চালু করতে পারি। সেই সাথে চট্টগ্রামের যত মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারি। সবাইকে এ রিকোয়েস্ট রইল।
তিনি বলেন, কোনো সমস্যায় যদি আপনারা পড়েন, উনারা কোনো ধরনের সমস্যায় পড়লে আমারা সবাই মিলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বলেন সবার আগে বাংলাদেশ, আমরা নিজেদের স্বার্থ না দেখে দেশের স্বার্থটা একটু আগে দেখি। আমাদের মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন, এ দেশকে এগিয়ে নিতে হলে বিনিয়োগের আসলে কোনো বিকল্প নেই। আমরা একটা সুযোগ পেয়েছি। বিদেশি বিনিয়োগ আসবে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আপনারা সবাই এগিয়ে যাওয়ার পথে সাহায্য করবেন।
